1. falconnews247@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. omarfaruk@falconnews24.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে ৫ হাজার মৃত্যু, ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: সড়কমন্ত্রী ইয়াবা সেবন দেখে ফেলা ও বাধা দেওয়ায় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন ইসরায়েলি নাগরিক আহত: দখলকৃত পশ্চিম তীরে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ব্যাপক তল্লাশি কোরআন পড়া, বোঝা ও মানলে দুনিয়া-আখিরাতে মুক্তি: জামায়াত আমির ইরাকের কিছু তেল ট্যাংকারের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল ইরান তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫ প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব, মোট ব্যয় দাঁড়াবে ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির পর স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে

সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে ৫ হাজার মৃত্যু, ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: সড়কমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে চায়। তিনি আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে চালকদের প্রশিক্ষণ, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত গতিনিয়ন্ত্রণ, পথচারীদের সচেতনতা বাড়ানো এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সড়ক নিরাপত্তায় নতুন আইনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত নিরাপদ সড়ক আইন করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও শুধু সভা-সেমিনার করে এর সমাধান হবে না। দুর্ঘটনার শিকার মানুষ ও সাধারণ জনগণের কাছে নিরাপদ সড়কের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।” তিনি ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অদক্ষ চালক, অতিরিক্ত গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা এবং পথচারীদের অসচেতনতাকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “দেশে অনেক চালক পরিবহন খাতে হেলপার হিসেবে কাজ করতে করতে ধীরে ধীরে গাড়ি চালানো শিখেছেন। কিন্তু একজন চালককে শুধু গাড়ি চালাতে জানলেই হবে না, মহাসড়কে কীভাবে নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে হয়, সে বিষয়েও তাকে দক্ষ হতে হবে।” তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় চালকদের প্রশিক্ষণ ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “আজ যে অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হচ্ছে, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো সম্ভব হবে।” তিনি মহাসড়কের পাশে থাকা হাসপাতালগুলোতে আলাদা ইউনিট রাখার পরিকল্পনা এবং প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর অ্যাম্বুলেন্স রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ