1. falconnews247@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. omarfaruk@falconnews24.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে ঢুকতেই হেলমেট পরলেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইরানের হুঁশিয়ারি: নতুন হামলায় যুদ্ধ বিস্তৃত হবে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা, গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে ইরানের হুঁশিয়ারি: ইউরোপকে যুদ্ধের মাশুল দিতে হবে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ও বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘আমার জীবন এখানে দাফন হয়ে গেছে’, পরিবারের ১২ সদস্যকে হারানো ইরানি যুবকের হৃদয়বিদারক বক্তব্য যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতা নয়, চাই নীতির পরিবর্তন: ফয়জুল করীম ছাত্রদলের ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত, সংবর্ধনায় অশ্লীল নৃত্যের অভিযোগ

হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণায় ব্যাংকগুলোকে ১০০ কোটি টাকার চাপ: নিয়ম ভেঙে দেওয়া হলো কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১৬১ বার দেখা হয়েছে

দেশের ব্যাংকিং খাতে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অর্থ ব্যবহারের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে ‘হ্যাঁ ভোট’ নামক একটি প্রচারণার জন্য দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর (CSR) তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়। খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দোহাই দিয়ে এই বিশাল অংকের অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হয়েছিল।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অর্থ বিতরণ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তারা তিনটি নির্দিষ্ট সংগঠনকে এই টাকা প্রদান করে। সংগঠনগুলো হলো—সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন ফাউন্ডেশন এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। অবাক করার মতো বিষয় হলো, যখন এই অর্থের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তখন একটি সংগঠন এমনকি নিবন্ধিতও ছিল না। ব্যাংকগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠকে এই নির্দেশনার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান। তাদের যুক্তি ছিল, সিএসআর ফান্ডের টাকা কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা ভোট প্রচারণায় ব্যবহার করা যায় না।

ব্যাংক কর্মকর্তারা যখন এই নির্দেশের বিপরীতে লিখিত নথিপত্র বা সার্কুলার চান, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত কাগজ দেওয়া হয়নি। বরং মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল যে, এটি সরকারের ওপর মহলের নির্দেশ এবং তা মানতে ব্যাংকগুলো বাধ্য। শেষ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও, নানা কৌশলে এবং চাপে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যাংকগুলো থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রভাব এই ঘটনা বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ব্যাংক খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এভাবে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করলে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা নষ্ট হয়। সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত টাকা ব্যাংকে রাখে নিরাপত্তার আশায়, কিন্তু সেই অর্থ যদি নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় ব্যবহার করা হয়, তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা ও আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে অন্য কোনো শক্তিও এই একই পথ অনুসরণ করার সুযোগ পাবে, যা অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

সারসংক্ষেপ ভোটের প্রচারণায় ব্যাংকগুলোর ওপর ১০০ কোটি টাকার বড় অংকের চাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৪ কোটি টাকা জোগাড় করা হয়েছে, যা ব্যাংকিং নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ