1. soburahmed@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  3. sharifonline@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন: আলোচনা-সমালোচনার ঝড়! ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ: কী বলছেন বিশ্লেষকরা? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষে রাজনৈতিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন: আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৪: ৩ ধাপ পিছিয়ে ১৫২তম অবস্থানে বাংলাদেশ ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচন: মেয়র পদে জামায়াতের বাজি সাবেক ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, বহরে যুক্ত হচ্ছে ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শ্রম: স্বীকৃতির দাবিতে সোচ্চার শ্রমিকরা হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণায় ব্যাংকগুলোকে ১০০ কোটি টাকার চাপ: নিয়ম ভেঙে দেওয়া হলো কোটি টাকা শ্রম আইনের বাইরে: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করা শ্রমিকদের স্বীকৃতি নেই

হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণায় ব্যাংকগুলোকে ১০০ কোটি টাকার চাপ: নিয়ম ভেঙে দেওয়া হলো কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

দেশের ব্যাংকিং খাতে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অর্থ ব্যবহারের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে ‘হ্যাঁ ভোট’ নামক একটি প্রচারণার জন্য দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর (CSR) তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়। খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দোহাই দিয়ে এই বিশাল অংকের অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হয়েছিল।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অর্থ বিতরণ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তারা তিনটি নির্দিষ্ট সংগঠনকে এই টাকা প্রদান করে। সংগঠনগুলো হলো—সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন ফাউন্ডেশন এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। অবাক করার মতো বিষয় হলো, যখন এই অর্থের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তখন একটি সংগঠন এমনকি নিবন্ধিতও ছিল না। ব্যাংকগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠকে এই নির্দেশনার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান। তাদের যুক্তি ছিল, সিএসআর ফান্ডের টাকা কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা ভোট প্রচারণায় ব্যবহার করা যায় না।

ব্যাংক কর্মকর্তারা যখন এই নির্দেশের বিপরীতে লিখিত নথিপত্র বা সার্কুলার চান, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত কাগজ দেওয়া হয়নি। বরং মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল যে, এটি সরকারের ওপর মহলের নির্দেশ এবং তা মানতে ব্যাংকগুলো বাধ্য। শেষ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও, নানা কৌশলে এবং চাপে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যাংকগুলো থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রভাব এই ঘটনা বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ব্যাংক খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এভাবে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করলে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা নষ্ট হয়। সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত টাকা ব্যাংকে রাখে নিরাপত্তার আশায়, কিন্তু সেই অর্থ যদি নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডায় ব্যবহার করা হয়, তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা ও আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে অন্য কোনো শক্তিও এই একই পথ অনুসরণ করার সুযোগ পাবে, যা অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

সারসংক্ষেপ ভোটের প্রচারণায় ব্যাংকগুলোর ওপর ১০০ কোটি টাকার বড় অংকের চাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৪ কোটি টাকা জোগাড় করা হয়েছে, যা ব্যাংকিং নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ