
যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত অর্থনৈতিক ব্যক্তিত্ব Jeffrey Epstein-এর ব্যক্তিগত দ্বীপে থাকা রহস্যময় একটি ভবন নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।
সাম্প্রতিক প্রকাশিত সরকারি নথিতে জানা গেছে, ওই ভবনটি তিনি “মসজিদ” হিসেবে ভাবতেন এবং সেখানে ইসলাম ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংগ্রহ করে রেখেছিলেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভবনটিতে মক্কার কাবা শরিফ থেকে আনা বিশেষ কাপড় (কিসওয়া), কোরআনের আয়াত খচিত ট্যাপেস্ট্রি এবং উজবেকিস্তানের মসজিদের টাইলস ব্যবহার করা হয়েছিল। এমনকি ভবনের গম্বুজটি প্রাচীন সিরিয়ার স্থাপত্য অনুসরণ করে তৈরি করা হয়।
এপস্টাইন তার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে এসব নিদর্শন সংগ্রহ করেন। নথিতে দেখা যায়, সৌদি রাজপরিবারের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে তিনি এসব পবিত্র বস্তু সংগ্রহে সক্ষম হন।
এই ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই রহস্যের কেন্দ্র ছিল। কেউ এটিকে সংগীতকক্ষ, কেউ মন্দির, আবার কেউ গোপন আচার-অনুষ্ঠানের স্থান বলে ধারণা করত। তবে নতুন তথ্য বলছে, এপস্টাইন নিজেই একে “মসজিদ” হিসেবে উল্লেখ করতেন।
এছাড়া, ভবনের নকশায় ইসলামিক স্থাপত্যের প্রভাব স্পষ্ট ছিল। এমনকি এক পর্যায়ে তিনি আরবি “আল্লাহ” শব্দের জায়গায় নিজের নামের আদ্যক্ষর বসানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন বলে জানা গেছে, যা আরও বিতর্ক তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়ায়, কাবা শরিফের মতো পবিত্র স্থানের নিদর্শন ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখা এবং এভাবে ব্যবহার করার বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হিসেবে দেখা হতে পারে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা বাড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপের এই “মসজিদ” নতুন করে তার বিতর্কিত জীবনের আরও অজানা দিক সামনে এনে দিয়েছে।