
ভারতে শিক্ষা ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। দিল্লির রাজপথে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীর সমাবেশ মোদি সরকারকে চিন্তায় ফেলেছে।
প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনের দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। কিন্তু এখন বিক্ষোভকারীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের জবাবদিহি চাইছেন। তারা প্রশ্ন তুলছেন বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় কার, এবং কী সংস্কার করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আন্দোলন আগের যেকোনো বিক্ষোভ থেকে আলাদা। এর প্রধান কারণগুলো হলো: এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে নেই, বরং স্বতঃস্ফূর্ত যুব আন্দোলন। এছাড়া সরকারের বিভাজনের রাজনীতি এবার কাজ করছে না, কারণ আন্দোলন শিক্ষা ও চাকরির মতো বাস্তব সমস্যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
সরকারের নীরবতা ও কঠোরতা আন্দোলনকারীদের আরও ক্ষুব্ধ করছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই বিক্ষোভে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিনিধি আলোচনায় বসেননি। পুলিশি দমন ও নজরদারি সত্ত্বেও মানুষ রাস্তায় নামছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান ও সরকারি জবাবদিহি নিয়ে বৃহত্তর জনঅসন্তোষের রূপ নিয়েছে।