
বাংলাদেশের প্রান্তিক খামারিরা কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরু বিক্রি করতে গিয়ে এবার ক্রেতা সংকটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, গরুর দাম তুলনামূলকভাবে কম পাওয়া যাচ্ছে এবং বিক্রিও হচ্ছে কম। সরকারি পরিসংখ্যানও খামারিদের এই উদ্বেগের সত্যতা প্রমাণ করে। অতীতে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর বেচাকেনা বেশ ভালো হতো, কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন কারণে সেই চিত্র পাল্টে গেছে।
কোরবানির ঈদে গরুর ক্রেতা কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এর মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশু কেনাবেচা বাড়ায় অনেক ক্রেতা এখন হাটে না গিয়ে অনলাইনে গরু কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। ফলে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে প্রান্তিক খামারিদের জন্য সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, পশু খাদ্য ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাদের উৎপাদিত গরু বিক্রির সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়া, বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো জরুরি।
ভবিষ্যতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় খামারিদের সচেতনতা বাড়ানো এবং আধুনিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহারেও উৎসাহিত করতে হবে। এতে করে তারা বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে এবং ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সক্ষম হবে।