1. soburahmed@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  3. sharifonline@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
আওয়ামী সরকারের পতনের পর ‘গুপ্ত’ শব্দের ছায়ায় অস্থির রাজনীতি, চট্টগ্রামেও ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ “ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ: ট্রাম্পের দাবি, ‘সবকিছু ভালোভাবেই কাজ করছে’; হরমুজ প্রণালি থেকে অর্থ সংগ্রহ ইরানের” ট্রাম্পের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ ‘খুব ভালোভাবেই কাজ করছে’; হরমুজ প্রণালী থেকে আসা প্রথম টোল জমা পড়ল জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: দক্ষিণ এশিয়ায় কোথায় কত দামে বিক্রি হচ্ছে তেল? অচলাবস্থায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা: হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারিতে বিশ্ববাজারে অশনিসংকেত তিন লক্ষ্যই ব্যর্থ: ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের দম্ভোক্তি বনাম করুণ বাস্তবতা ভারত-চীন নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট: ‘মানুষ কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে’ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান ইরানের: ‘আঙুল এখন ট্রিগারে’, পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প বনাম ইরান: দুই মেরুর দুই ভিন্ন বাস্তবতা উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালি: এবার হামলার শিকার পানামার জাহাজ ‘এমএসসি ফ্রানচেস্কা’

শাহাদাতবরণ করলেন পরিবারের আরও ৪ সদস্য; শোকাতুর বিশ্ব

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | Falconnews24.com

ইরানের ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় রচিত হলো তেহরানে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করার ঠিক দুই দিন পর মারা গেলেন তার জীবনসঙ্গিনী মনসুরেহ খোজাস্তে বাঘেরজাদেহ। সোমবার (২ মার্চ) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা।

একই সাথে ঝরল পুরো পরিবারের প্রাণ: বর্বরোচিত ওই হামলায় কেবল খামেনিই নন, তার পরিবারের আরও অনেক সদস্য না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই একই হামলায় খামেনির মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাতাও প্রাণ হারিয়েছেন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে লড়াই করছিলেন মনসুরেহ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও প্রিয়জনদের কাছেই ফিরে গেলেন।

ছয় দশকের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা: ১৯৬৫ সালে খামেনির সঙ্গে দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিলেন মনসুরেহ। দীর্ঘ ৬০ বছরের পথচলায় তিনি ছিলেন খামেনির সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস। ২০১১ সালের এক দুর্লভ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় কাজ ছিল ঘরের ভেতরটা শান্ত রাখা, যাতে তিনি (খামেনি) নিশ্চিন্তে দেশের কাজ করতে পারেন”। জেলের ভেতর স্বামীকে সাহস জোগানো আর চিরকাল পর্দার আড়ালে থেকে পরিবারকে আগলে রাখাই ছিল তার জীবনের মূল ব্রত।

শান্তিময় এক বিদায়ে শোকের ছায়া: ৭৯ বছর বয়সী এই নিভৃতচারী নারীর মৃত্যুতে পুরো ইরান জুড়ে শোকের ছায়া আরও গভীর হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা কেবল রাষ্ট্রকে নয়, একটি সাজানো পরিবারকেও কীভাবে তছনছ করে দেয়—খামেনি পরিবারের এই পরিণতি যেন তারই এক করুণ উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ