1. falconnews247@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. omarfaruk@falconnews24.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
বজ্রপাতে জ্বালানিমন্ত্রী টুকুর সিরাজগঞ্জের বাসায় আগুন হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, ২ সেনাসদস্য নিহত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের পদবী আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ ‘বাবার কবর থেকে ফেরার পথে ধর্ষণ’: মেয়ের আত্মহত্যার কথা ট্রাইব্যুনালে জানালেন জুলাই শহীদের স্ত্রী ‘আসতে হবে না, আপনাকে আমরা ধরে নিয়ে আসতে চাই’ ১৪ লাখ কৃষকের সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ১৪ হাজারের বেশি অভিবাসী দেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী নেপালে বন্যার ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

‘বাবার কবর থেকে ফেরার পথে ধর্ষণ’: মেয়ের আত্মহত্যার কথা ট্রাইব্যুনালে জানালেন জুলাই শহীদের স্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় একজন নারী তার মেয়ের নির্মম মৃত্যুর মর্মস্পর্শী বিবরণ দিয়েছেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত এক ব্যক্তির স্ত্রী, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

সাক্ষীতে তিনি বলেন, ‘স্বামীর হত্যার বিষয়ে তদন্তকারীদের কাছে বক্তব্য দিতে আমি ঢাকায় আসি। এর পরপরই পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় বাবার কবর থেকে ফেরার পথে আমার মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। গুরুতর মানসিক আঘাতের পর আমার মেয়ে আত্মহত্যা করে।’ কথাগুলো বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

বিস্তারিত সাক্ষ্যে ওই নারী জানান, গত বছরের ১৭ মার্চ স্বামীর হত্যা সম্পর্কে তদন্তকারীদের কাছে বক্তব্য দিতে তিনি ভাই ও দুই ছোট সন্তান নিয়ে ঢাকায় আসেন। তখন এইচএসসি পরীক্ষার্থী তার বড় মেয়ে পটুয়াখালীতে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। পরদিন তার মেয়ে বাবার কবর জিয়ারত করতে যান। কবর থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নারীটি ট্রাইব্যুনালে বলেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় এসেছিলাম, আর এ কারণে তারা আমার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে।’ ধর্ষণের খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর তার মেয়ে গুরুতর মানসিক আঘাতের শিকার হন এবং পরে আত্মহত্যা করেন।

নারীর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনাও সাক্ষ্যে উঠে আসে। তিনি জানান, তার স্বামী একটি এনজিওতে চালক হিসেবে কাজ করতেন। আগের দিন সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তিনি ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় তাকে জানানো হয়, তার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের বাইরে একটি ট্রলিতে রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামীকে দেখতে পান তিনি। তখন স্বামী তাকে জানান, তার দুটি আঙুল উড়ে গেছে এবং বুকে গুলি লেগেছে। চিকিৎসার পর তাকে বনানীর একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, সেখানে ২৯ জুলাই তিনি মারা যান। মরদেহ বুঝে পেতে তাকে কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল। ৩১ জুলাই মরদেহ বুঝে পাওয়ার পর পরদিন তাকে দাফন করা হয়। সাক্ষ্যের শেষ দিকে তিনি স্বামীর হত্যার বিচার দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ