1. soburahmed@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
  3. sharifonline@gmail.com : Falcon News 24 : Falcon News 24
শিরোনামঃ
মার্কিন ট্যাংকারে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলা; হরমুজ প্রণালি কি তবে বন্ধ করে দিচ্ছে ইরান? বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জামায়াতের! ট্রাম্প ও বাইডেনকে হ-ত্যার ষড়যন্ত্র! যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ইরান সীমান্তে এবার মহাপ্রলয়! আকাশপথের পর এবার শুরু হলো স্থল যুদ্ধ। শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে সারজিসের রাজনৈতিক স্লোগান; সিলেটে সমালোচনার ঝড় ‘এক টাকাও দুর্নীতি করিনি, চুরি করে বেঁচে থাকার জন্য জন্ম হয়নি’: আসিফ নজরুল ইরানের পাল্টাহামলায় ট্রাম্পের ‘দ্রুত বিজয়’ ম্লান; আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে রণক্ষেত্রে অনড় তেহরান ইরানের আকাশ এখন যুক্তরাষ্ট্রের কব্জায়; লোহিত সাগরে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল মার্কিন সাবমেরিন! নিজের ও পরিবারের ব্যাংক ব্যালেন্স জানালেন আসিফ মাহমুদ! ফেসবুক থেকে মাসে কত আয় করেন হাসনাত আবদুল্লাহ? হিসাব দিলেন নিজেই

শাহাদাতবরণ করলেন পরিবারের আরও ৪ সদস্য; শোকাতুর বিশ্ব

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | Falconnews24.com

ইরানের ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় রচিত হলো তেহরানে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করার ঠিক দুই দিন পর মারা গেলেন তার জীবনসঙ্গিনী মনসুরেহ খোজাস্তে বাঘেরজাদেহ। সোমবার (২ মার্চ) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা।

একই সাথে ঝরল পুরো পরিবারের প্রাণ: বর্বরোচিত ওই হামলায় কেবল খামেনিই নন, তার পরিবারের আরও অনেক সদস্য না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই একই হামলায় খামেনির মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাতাও প্রাণ হারিয়েছেন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে লড়াই করছিলেন মনসুরেহ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও প্রিয়জনদের কাছেই ফিরে গেলেন।

ছয় দশকের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা: ১৯৬৫ সালে খামেনির সঙ্গে দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিলেন মনসুরেহ। দীর্ঘ ৬০ বছরের পথচলায় তিনি ছিলেন খামেনির সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস। ২০১১ সালের এক দুর্লভ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় কাজ ছিল ঘরের ভেতরটা শান্ত রাখা, যাতে তিনি (খামেনি) নিশ্চিন্তে দেশের কাজ করতে পারেন”। জেলের ভেতর স্বামীকে সাহস জোগানো আর চিরকাল পর্দার আড়ালে থেকে পরিবারকে আগলে রাখাই ছিল তার জীবনের মূল ব্রত।

শান্তিময় এক বিদায়ে শোকের ছায়া: ৭৯ বছর বয়সী এই নিভৃতচারী নারীর মৃত্যুতে পুরো ইরান জুড়ে শোকের ছায়া আরও গভীর হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা কেবল রাষ্ট্রকে নয়, একটি সাজানো পরিবারকেও কীভাবে তছনছ করে দেয়—খামেনি পরিবারের এই পরিণতি যেন তারই এক করুণ উদাহরণ।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও নিউজ

পুরাতন নিউজ খুঁজুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সবুর আহমেদ