
ঢাকার পল্লবীতে রামিসা নামের এক শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত এক মাসে, এই ধরনের নৃশংসতা আরও কয়েকজন শিশুর জীবন কেড়ে নিয়েছে। শিশুদের প্রতি সহিংসতার এই ক্রমবর্ধমান ঘটনা গভীর উদ্বেগের কারণ।
সমাজকর্মী এবং বিশেষজ্ঞরা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে সচেতনতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের মধ্যে নজরদারি বাড়ানো, এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি।
সরকার শিশুদের নিরাপত্তা বিধানে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বললেও, মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে, সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। শিশুদের সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে, আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।