
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত রেকর্ড পরিমাণ আয়ের একটি অংশ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) পেতে যাচ্ছে। বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবারের বিশ্বকাপের জন্য ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। এই বিশাল আয়ের একটি অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
ফিফার অর্থ বণ্টন নীতির আওতায় বাংলাদেশসহ অন্যান্য সদস্য দেশগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণ লভ্যাংশ পাবে। সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু ব্যাখ্যা করেন, “বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে আয় করে, তার একটি অংশ বিশ্বের সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ফুটবল উন্নয়নেই মূলত এই অর্থ ব্যবহৃত হবে।”
এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়ে ৪৮টি হওয়ায় আয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি দল টুর্নামেন্ট শুরুতেই পেয়েছে ২৫ লাখ ডলার। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পাবে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার। পরবর্তী রাউন্ডগুলোতেও পুরস্কারের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে, যেখানে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে রেকর্ড ৫ কোটি ডলার।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, ফিফার কাছ থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ বাংলাদেশের ফুটবল অবকাঠামো উন্নয়ন, যুব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে ব্যয় করা হবে। বিশেষ করে গ্রাসরুট লেভেল থেকে ফুটবলার তৈরির জন্য এই অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফিফার সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত উন্নয়ন অনুদান পেলেও বিশ্বকাপের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই তহবিল কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ফুটবলের ভিত শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।