
এ বছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর ক্রেতা কমে যাওয়ায় প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, গরুর দাম গত বছরের তুলনায় কমেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস। আর্থিক সংকটের কারণে অনেকেই কোরবানির পশু কিনতে অনীহা দেখাচ্ছেন।
পরিসংখ্যানেও দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার গরুর বেচাকেনা তুলনামূলকভাবে কম। পশু কেনাবেচার অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতেও ক্রেতাদের আনাগোনা কমেছে। ফলে, অনেক খামারি তাদের গরুর ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। এতে করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিরা তাদের ভবিষ্যৎ ব্যবসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন দিনগুলোতে গরুর বাজারের এই মন্দা কাটিয়ে উঠতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা এবং গরুর বাজারজাতকরণে সহায়তা করা গেলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। এছাড়াও, ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পশু কেনাবেচায় স্বচ্ছতা আনাও জরুরি।
অতীতে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর বাজারে এমন মন্দা দেখা যায়নি। সাধারণত, ঈদকে সামনে রেখে পশু কেনাবেচার চাপ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এবার প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে খামারিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।