
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | Falconnews24.com
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জনে প্রকম্পিত। জর্ডান ও সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন দফায় শক্তিশালী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (৭ মার্চ) তেহরানের পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাডার ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত আঘাত: ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, তাদের এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে মার্কিন রাডার বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন থাড বা প্যাট্রিয়ট) এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে শনাক্ত করে ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এগুলো সরাসরি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আছড়ে পড়ে।
মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতি: প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, জর্ডানের কৌশলগত বিমানঘাঁটিগুলোতে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলার ফলে মার্কিন রাডার সিস্টেম এবং বিমানঘাঁটির অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
ইরানের হুঁশিয়ারি: ইরানের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহার করা মানে হলো যুদ্ধের তীব্রতা এক নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত আসলে তারা আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধা করবে না।
বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য: হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের এই সফল প্রয়োগে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ওয়াশিংটনের। কারণ বিশ্বের খুব কম দেশের কাছেই এই বিধ্বংসী প্রযুক্তি রয়েছে। এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।