
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এই ধরনের কাজের সুযোগ। খাদ্য সরবরাহ থেকে শুরু করে রাইড শেয়ারিং, এমনকি ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রবেশ বেড়েছে, যেখানে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা কাজ করছেন। বর্তমানে, দেশের শ্রম আইনে এই ধরনের কর্মীদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্বীকৃতি বা সুরক্ষা নেই।
বর্তমানে প্রচলিত শ্রম আইন মূলত ঐতিহ্যবাহী কাজের ধরনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কাজ করা কর্মীদের অধিকার এবং সুরক্ষার বিষয়টি এখানে অনুপস্থিত। এর ফলে, শ্রমিকেরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রম আইনকে যুগোপযোগী করা জরুরি। শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করা শ্রমিকদের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য একটি নতুন কাঠামো তৈরি করা দরকার, যেখানে তাদের কাজের পরিবেশ, মজুরি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়াও, শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং তাদের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।