
নতুন বছরের শুরুতেই দেশের অর্থনীতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে রফতানি খাত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য খাতে আয়ের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (EPB) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শেষ প্রান্তিকের তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই রফতানি আদেশে গতানুগতিক ধারার চেয়ে ৫-৭ শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজারে নতুন করে বাংলাদেশী পোশাকের চাহিদা বাড়ছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকলে এই প্রবৃদ্ধির ধারা বছরের বাকি সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে। তবে কাঁচামালের আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারলে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাত থেকেও এখন বৈচিত্র্যময় পণ্য বিদেশে রফতানি হচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সরকারের পক্ষ থেকে রফতানি বাণিজ্য সহজীকরণ এবং লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যা উদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।