
দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump।
তিন দিনের এই সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক, বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং ইরান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার ট্রাম্পকে বহনকারী বিমান বেইজিং পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরে তার সঙ্গে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
তাদের মধ্যে রয়েছেন Elon Musk, Tim Cook, ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক, মেটার ডিনা পাওয়েল ম্যাককর্মিক, ভিসার রায়ান ম্যাকলনার্নি এবং বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কেলি ওর্টবার্গসহ আরও অনেকে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সফরে ডজনখানেকের বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু কূটনৈতিক সফর নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক পুনর্গঠনেরও একটি বড় প্রচেষ্টা।
চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে বিশেষ আয়োজন করেছেন। তার সম্মানে বিশেষ ভোজসভা ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৭ সালে ট্রাম্প সর্বশেষ চীন সফর করেছিলেন। সে সময়ও তাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল এবং চীনের ঐতিহাসিক নিষিদ্ধ নগরীতেও তার জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের ধারণা, চলমান ইরান সংকট, বাণিজ্য উত্তেজনা এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উন্নতি বা উত্তেজনা—দুই ক্ষেত্রেই বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়তে পারে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগ পরিস্থিতিতেও প্রতিফলিত হতে পারে।
সব মিলিয়ে, প্রায় এক দশক পর ট্রাম্পের এই চীন সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।