
বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি স্পেসএক্স। এবার শেয়ারবাজারে আসার আগেই নিজেদের মূল্যায়ন ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার বলে ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (SEC) জমা দেওয়া নথিতে স্পেসএক্স জানিয়েছে, তাদের প্রতিটি শেয়ারের সম্ভাব্য মূল্য ১৩৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে পুরো প্রতিষ্ঠানের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার।
আগের মূল্যায়ন ছিল প্রায় ১.২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্য বৃদ্ধি প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ খাতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্পেসএক্স আগামী ১২ জুন নাসডাক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি আইপিওর মাধ্যমে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করতে চায়, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিওগুলোর একটি হতে পারে।
পটভূমি
মহাকাশ প্রযুক্তির পাশাপাশি স্পেসএক্স বর্তমানে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টার নির্মাণের মতো উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে।
সম্প্রতি ইলন মাস্কের আরেক প্রতিষ্ঠান xAI-ও স্পেসএক্সের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। মাস্ক বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যতের AI প্রযুক্তিকে চালাতে পৃথিবীর বাইরের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
যদিও কোম্পানিটি এখনও লোকসানে রয়েছে, তবুও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার ওপর ভরসা করেই বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
বাংলাদেশে প্রভাব
স্পেসএক্সের স্টারলিংক সেবা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আলোচনার বিষয়। ভবিষ্যতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, AI অবকাঠামো এবং মহাকাশ প্রযুক্তির বিস্তার বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
সারসংক্ষেপ: শেয়ারবাজারে আসার আগেই ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন ঘোষণা করে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর কাতারে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে স্পেসএক্স।
সূত্র: BBC News