ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরের তেল গ্রামে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর এক ফিলিস্তিনি যুবক ইসরায়েলি সেনাদের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে দুই সেনাকে হত্যা করেছে। এই ঘটনার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পুরো পশ্চিমতীরে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতভর ইসরায়েলি সেনারা পশ্চিমতীরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের নামে আরও কয়েকশ সাধারণ ফিলিস্তিনিকে নির্যাতন করা হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, আটককৃতরা সবাই 'ওয়ান্টেড' ছিল এবং হামাসসহ বিভিন্ন ফিলিস্তিনি সংগঠনের সাথে তাদের যোগাযোগ ছিল।
তেল গ্রামে সংঘাতের পর সেখান থেকে ১১ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রায় ৮০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এদিকে পশ্চিমতীরের জেনিন এলাকায় একযোগে ৩০০টিরও বেশি স্থানে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের দাবি, আটককৃতরা বিস্ফোরক দিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল, তবে এই দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ তারা দেখাতে পারেনি।
এই ঘটনায় ফিলিস্তিন-ইসরায়েল উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বারবার শান্তির আহ্বান জানালেও অঞ্চলটিতে সহিংসতা থামছে না। ফিলিস্তিনি পক্ষ এই অভিযানগুলোকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস হিসেবে অভিহিত করেছে।