
আগামী অর্থবছর থেকে মুদি দোকান, কসমেটিকসের দোকান, রেস্তোরাঁ, বিউটি পার্লারসহ ১৬ ধরনের ব্যবসাকে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে ভ্যাট আদায় সহজ করতে বর্তমান টার্নওভার ট্যাক্সের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অঙ্কের কর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসার ধরন, অবস্থান ও এলাকার ভিত্তিতে করের পরিমাণ নির্ধারণ করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বছরে এক হাজার, পাঁচ হাজার অথবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কর নির্ধারণ করা হতে পারে। এ বিষয়ে সারাদেশে জরিপ কার্যক্রম চলছে এবং পরে বিধিমালা জারি করা হবে।
প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছে মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, কসমেটিকস, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার, মোবাইল ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও স্যানিটারি, টাইলস, ঢেউটিন-রড-সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁসহ মোট ১৬ ধরনের ব্যবসা।
কর বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ব্যবস্থায় সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়তে পারে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কর পরিশোধের প্রক্রিয়াও সহজ হবে। তবে ব্যবসায়ীদের একটি অংশের আশঙ্কা, অতিরিক্ত করের চাপ শেষ পর্যন্ত পণ্যের দাম বাড়িয়ে ভোক্তার ওপর পড়তে পারে।
এনবিআর জানিয়েছে, প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।