
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | Falconnews24.com
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ। সোমবার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে গোষ্ঠীটি।
হামলা ও পাল্টা হামলা: হেজবুল্লাহর এই প্রজেক্টাইল হামলার জবাবে লেবাননের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, হেজবুল্লাহর নিক্ষেপ করা প্রজেক্টাইলগুলো তাদের ভূখণ্ডের উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে। উল্লেখ্য, হেজবুল্লাহ লেবাননের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন, যা ১৯৮০-এর দশকে ইসরায়েলকে মোকাবিলার জন্য ইরানের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
খামেনি হত্যাকাণ্ড ও ট্রাম্পের দাবি: গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ এক কমান্ডো অভিযানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই অভিযানে খামেনিসহ ইরানের অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি এই অভিযানকে 'খুব দ্রুত ও সফল' বলে অভিহিত করেছেন।
আলোচনার প্রস্তাব: খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন যে, ইরানের বর্তমান নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প নিজেও এই মুহূর্তে ইরানের সাথে বৈঠকে বসতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন।
একদিকে হিজবুল্লাহর প্রতিশোধমূলক হামলা আর অন্যদিকে কূটনীতির টেবিল— এই দ্বিমুখী পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।