
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | Falconnews24.com
ইরান ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেহরানের বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এই হামলার পরপরই ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় ইসরায়েলজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
যৌথ হামলা ও লক্ষ্যবস্তু: ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে এই হামলা পরিচালনা করেছে। সূত্রমতে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক কেন্দ্রগুলো। ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহুরি এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা: হামলা শুরু হওয়ার পর ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে বলে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) নাগরিকদের সুরক্ষিত স্থানে থাকার জন্য জাতীয় সতর্কতা বার্তা পাঠিয়েছে। নতুন ঘোষিত বিধিনিষেধ অনুযায়ী, ইসরায়েলে জনসমাবেশ, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই হামলাটি ওয়াশিংটনের সাথে পূর্ণ সমন্বয়ের মাধ্যমে করা হয়েছে। ইরান ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রতিশোধ নিতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই ইসরায়েলি সরকার আগাম জরুরি অবস্থা ও কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশের এই সরাসরি সংঘাত পুরো বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছে বিশ্বনেতারা।