বাংলাদেশে তৈরি অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন (AI) রোবট এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজর কাড়ছে। দেশীয় তরুণ প্রকৌশলীদের নিরলস পরিশ্রমে তৈরি এই রোবটগুলো কেবল ঘরোয়া কাজেই নয়, বরং শিল্প-কারখানা ও জটিল অপারেশনেও সক্ষমতা দেখাচ্ছে।
সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি প্রযুক্তি মেলায় দেখা গেছে, এই রোবটগুলো মানুষের ভাষা বুঝতে পারে এবং জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান দিতে পারে নিমেষেই। বিশেষ করে, দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে বা কলকারখানার বিপজ্জনক পরিবেশে মানুষের বিকল্প হিসেবে এই রোবটগুলো কাজ করতে পারবে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই বিপ্লব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে। যদি সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকে, তবে সফটওয়্যার ও রোবোটিক্স খাতের রফতানি আয় খুব দ্রুতই পোশাক খাতকে টেক্কা দিতে পারে।
ইতিমধ্যেই ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশ এই বাংলাদেশী রোবটগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। তরুণ উদ্ভাবকরা আশা করছেন, ২০২৬ সাল হবে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি স্মরণীয় বছর।