ইরান যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তার রেশ এখনো কাটেনি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা সত্ত্বেও রাজধানী ঢাকায় অকটেনের জন্য হাহাকার দেখা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না জ্বালানি, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
ঢাকায় অকটেন সংকট নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে ক্রেতা, বিক্রেতা ও সরবরাহকারী—এই তিনটি পক্ষই একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছে। পেট্রোল পাম্প মালিকদের অভিযোগ, চাহিদা অনুযায়ী তারা তেল সরবরাহ করতে পারছেন না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর দাবি, তারা পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করছে, কিন্তু পাম্প মালিকরা তা গ্রাহকদের কাছে বিতরণে গড়িমসি করছে। এই পরিস্থিতিতে, তেলের এই সংকটের নেপথ্যে কার ভূমিকা কতটুকু, তা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সরবরাহ শৃঙ্খলে স্বচ্ছতা আনা এবং অনিয়ম রোধ করা জরুরি। একইসঙ্গে, তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ভর্তুকি বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও ভাবা যেতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে, তা দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকার দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।