বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিকার অভাব নিয়ে কথা বলায় মুন্সীগঞ্জের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, জেলার সিভিল সার্জনকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় টিকা সংকটের দায় কর্মকর্তাদের ওপর চাপানো হচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
টিকা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই এমন ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্যকর্মীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের কণ্ঠরোধ করা হলে, সংকট আরও বাড়বে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন অনেকে। তাঁদের মতে, কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে, দ্রুত টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা উচিত। তাঁদের আরও অভিযোগ, সরকার সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়ে সমালোচকদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার অপ্রাপ্যতার কারণগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। একইসঙ্গে, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে, সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।