ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেন– চার ধরনের তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপি সরকারের সময়ে দাম বাড়ল ৩৫-৪৫ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হলে পরিবহন, কৃষি ও শিল্পখাতে সরাসরি প্রভাব পড়বে। পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ পড়তে পারে।
ডিজেলচালিত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লঞ্চের পরিচালন ব্যয় বাড়বে। কৃষিতে ডিজেলের ব্যবহার রয়েছে সেচ পাম্প, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান মাড়াইসহ বিভিন্ন কাজে। ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। শিল্প খাতেও ডিজেলচালিত জেনারেটর, পণ্য পরিবহন ও উৎপাদনে বাড়তি খরচ হবে।
রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। ডিজেলের দাম বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫, পেট্রোল ১৬০ এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটার হলো। এটা দেশের ইতিহাসে জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ দাম। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কয়েক দফা দাম সমন্বয় করা হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আবার দাম বাড়ে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় দাম কমানো হয়েছিল। ফেব্রুয়ারির সর্বশেষ সমন্বয়ের পর ডিজেলের দাম ছিল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২, পেট্রোল ১১৬ এবং অকটেন ১২০ টাকা।